
কক্স২৪ নিউজ ডেস্ক।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী দেশের রাজনৈতিক সংকটের জন্য বিএনপি’ই দায়ী। কারণ বিএনপি জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করার অঙ্গীকার এবং গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল। নির্বাচনে বিজয়ের পর সেই বিএনপি গণভোটের গণরায় কে পাশ কাটিয়ে জনরায়ের প্রতি অবজ্ঞা করেছে। সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ না করে সংকট ঘনীভূত করেছে। অবিলম্বে আগামী সংসদ অধিবেশনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকর করে আইন পাশ করতে হবে নচেৎ দেশের মানুষ রক্ত দিয়ে যেভাবে নতুন স্বাধীনতা এনেছিল প্রয়োজনে আবারো রক্ত দিয়ে জনগণের অধিকার বুঝে নিতে বাধ্য হবে। ৪ জুলাই ১১ দলীয় ঐক্য কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কক্সবাজার জেলা আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক অধ্যাপক আখতার আলম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম, জেলা নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ ইউনূস। সঞ্চালনা করেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও কক্সবাজার শহর আমীর আবদুল্লাহ আল ফারুক।
প্রধান অতিথি আরো বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের আমলে মানুষের ভোটের কোন মূল্যায়ন ছিল না, দিনের ভোট রাতে এবং আমি- ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে দেশকে গভীর সঙ্কটে নিপতিত করেছিল। তারা দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে দেশের মানুষের উপর ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছিল। গণতন্ত্র, মানবাধিকার, ভোটাধিকার ও বাক-স্বাধীনতার হরণ করেছিল। আওয়ামী জাহেলিয়াত থেকে মুক্তির লক্ষ্যে ২০২৪-এ ছাত্র-জনতা গণ আন্দোলন করেছিল। দেশের মানুষ নতুন প্রত্যাশায় এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু বিএনপি সরকার জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে জনগণের স্বপ্ন ভেঙ্গে দিয়েছে। তিনি সরকারকে অবিলম্বে খুন, অপহরণ, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও ডাকাতি বন্ধের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করাল আহ্বান জানান।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাম্মদ হেদায়াত উল্লাহ, আল আমীন মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, জেলা অফিস সেক্রেটারী মুহাম্মদ শাহজাহান, কক্সবাজার সদর আমীর অধ্যাপক খুরশিদ আলম আনসারী, রামু উপজেলা আমীর ফজলুল্লাহ মু. হাসান, শহর সেক্রেটারি রিয়াজ মুহাম্মদ শাকিল, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি সাইদুল আলম, আমিনুল ইসলাম হাসান, এনসিপি কক্সবাজার পৌরসভা আহবায়ক আবু আহমেদ ছিদ্দিক, সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ স্বাধীন, জাতীয় যুবশক্তি কক্সবাজার জেলা সদস্য সচিব শামীম ফরহাদ, জাতীয় ছাত্রশক্তির কক্সবাজার জেলা সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জায়েদ বিন আমান, জাতীয় শ্রমিকশক্তির কক্সবাজার জেলা সদস্য সচিব জে এস সানীসহ এগারদলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। বিক্ষোভ মিছিল কক্সবাজার পৌরসভা গেইট থেকে শুরু হয়ে ফজল মার্কেট চত্বরে এসে শেষ হয়।