
শেখ আহমদ মিরাজ স্পোর্টস সম্পাদক।
২০০৬ সাল থেকে নিয়মিতই বিশ্বকাপে খেলছে অস্ট্রেলিয়া। এবারও তারা অংশ নেবে, তবে ফেভারিটের তকমাটা ঠিক তাদের দেয়া যায় না। কিন্তু ফেভারিট না হলেও বিশ্বকাপে ভালো কিছু করার সক্ষমতা যে তাদের আছে, তা নিয়ে অবশ্য কোনো সন্দেহ থাকার কথা নয়। ২০২২ বিশ্বকাপের রাউন্ড অব সিক্সটিনের ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরেছিল বটে, তবে নিজেদের শক্তিমত্তার জায়গাটাও যে ভালোভাবেই জানান দিয়েছিল প্রায় ৩ কোটি জনসংখ্যার এই দেশটি।
১৯৭৪ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলে অস্ট্রেলিয়া। এরপর দীর্ঘ সময় বিশ্বমঞ্চে দেখা যায়নি এই দলটিকে। তবে ২০০৬ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিটি আসরেই অংশ নিয়েছে তারা। সব মিলিয়ে মোট সাতবার বিশ্বকাপে খেলেছে অস্ট্রেলিয়া, এবার অষ্টম বারের মতো বিশ্বমঞ্চে অংশ নেবে তারা।
এবারের বিশ্ব আসরে অস্ট্রেলিয়ার তুরুপের ত্রাস হতে পারেন জর্ডান বস, রিলি ম্যাকগ্রি ও জ্যাকসন আরভিন। রক্ষণভাগে দলের অন্যতম ভরসার প্রতীক হয়ে উঠতে পারেন ২৩ বছর বয়সি জর্ডান জ্যাকব বস। মেলবোর্নের ভিক্টোরিয়াতে জন্ম নেওয়া এই ডিফেন্ডার বর্তমানে খেলছেন ডাচ ক্লাব ফেইনুর্ডের হয়ে।
মাঝমাঠের অন্যতম ভরসার নাম রিলি ম্যাকগ্রি। বর্তমানে তিনি খেলছেন ইংল্যান্ডের ক্লাব মিডলসব্রো হয়ে। লএছাড়া ডিভেন্সিভ মিডফিল্ডে থাকবেন অভিজ্ঞ জ্যাকসন আরভিন। বর্তমানে তিনি খেলছেন এফসি পাওলির হয়ে। অস্ট্রেলিয়ার জার্সি গায়ে জড়ানোর আগে স্কটল্যান্ডের বয়সভিত্তিক দলের হয়েও খেলেছেন আরভিন। স্কটল্যান্ডের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা আছে তারা। এরপর ২০১২-১৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার অনূর্ধ্ব-২০ দলে যোগ দেন তিনি।