
প্রশ্নঃখুৎবা আরবী ভাষায় দেওয়ার হুকুম কী?
উত্তরঃখুৎবা আরবী ভাষায় দেওয়া ওয়াজিব।হযরত শাহ ওয়ালী উল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলবী রঃ বলেন খুৎবা নির্ভেজাল আরবী ভাষায় হওয়া ওয়াজিব।খুৎবার মুল হাক্বীক্বত হল আল্লাহর যিকির, এর তারজমা করার প্রয়োজন নেই। মুসলিম সম্রাজ্য বিস্তারের সময়ও অনারবীদের প্রতি লক্ষ্য রেখে খায়রুল কুরোন থেকে এ পর্যন্ত আরবের বাহিরের দেশ গুলোতে তাদের ভাষায় খুৎবা দিতে বলা হয়নি বরং আরবীতে খুৎবা দেওয়ার প্রতি জরুরী তাকীদ দিয়েছেন।উত্তম পদ্ধতি হচ্ছে খুৎবার আযানের আগে আঞ্চলিক ভাষায় জরুরী মাসয়ালা মাসায়েল বলে দেওয়া হবে। খুৎবা আযানের পর সর্বোচ্চ পাঁচ মিনিটের মধ্যে নির্ভেজাল আরবী ভাষায় দুইটি খুৎবা শেষ করবে। এতে খুৎবা সুন্নাত পদ্ধতি বহাল থাকবে।
যদি সকল শ্রোতা বধির হয় বা ঘুমন্ত ব্যাক্তির সামনে খুৎবা দেয়া হয় এবং জুমার নামায আদায় করা হয় তখন খুৎবা পুরা আদায় হবে ও নামাযও সহীহ হয়ে যাবে।তাই বুঝা যায় যে, খুৎবার উদ্দেশ্য যদি ওয়াজ নসীহত নহে।তাছাড়া অনেক ফকীহ জুমার দুই খুৎবাকে দুই রাকাত নামাযের স্থলাভিষিক্ত হিসাবে গন্য করেছেন।আর জুমার খুৎবা দেওয়া ফরজ, দুই ভাগে দেওয়া সুন্নাত, সব খুৎবা শোনা ওয়াজিব।
তথ্যসুত্র শরহে মুয়াত্তা ১ম ১৫৪পৃঃ, ফতোয়ায়ে রহিমিয়া ১ম ২৬৯,২৭০ঃ পৃঃ,কিফায়তুল মুফতি ৩য় ২২০ পৃঃ,ইমদাদুল ফতোয়া ১ম ৬৭৬ পৃঃ।
লিখকঃ মুফতী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম
পহরচাঁদা ফাজিল মাদরাসা, চকরিয়া,কক্সবাজার।