
মোহাম্মদ রাশেদ চকরিয়া উপজেলা প্রতিনিধি।
বিশ্বজুড়ে চলমান জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার সন্ধ্যা ৭টার পর সব শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধ রাখার কড়া নির্দেশ দিয়েছে। তবে চকরিয়ার অনেক মার্কেটে এই সরকারি নির্দেশনা মানা হচ্ছে না।
গতকাল রাতে চকরিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নিউমার্কেটসহ বেশ কিছু বড় মার্কেটে নির্ধারিত সময়ের পরেও দোকান খোলা রাখা হয়েছে। ক্রেতা খুব একটা না থাকলেও ব্যবসায়ীরা দোকানে উজ্জ্বল আলো জ্বালিয়ে বসে আছেন। অনেক জায়গায় মেইন লাইনের বিদ্যুৎ না থাকলেও বিকল্প হিসেবে জেনারেটর চালানো হচ্ছে। এতে জ্বালানি তেলের ব্যবহার আরও বেড়ে যাচ্ছে, যা বর্তমান সংকটে বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কৌশলে মার্কেটের সামনের দিকের কিছু ঝাপ বন্ধ রাখা হলেও ভেতরের গলি ও ফুটপাতের দোকানগুলো দিব্যি খোলা। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অপচয় করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের এমন উদাসীনতায় একদিকে যেমন সরকারি নির্দেশনার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে সাধারণ মানুষকে তীব্র লোডশেডিং পোহাতে হচ্ছে। গরমে আর অন্ধকারে জনজীবনে নাভিশ্বাস উঠলেও এক শ্রেণির ব্যবসায়ী নিয়মের তোয়াক্কা করছেন না।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে সামনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।