
কক্স২৪নিউজ ডেস্ক।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘জুলাই সনদ দেশের সকল রাজনৈতিক দলের দীর্ঘ আলোচনার পরে তৈরি। এটি সকলের সম্মতিতে স্বাক্ষরিত একটি দলিল, যা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশার প্রতিফলন। জনগণও গণভোটের মাধ্যমে এর প্রতি সম্মতি জানিয়েছে। এই সনদের ভিত্তিতেই ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করা এখন আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব। তাই জুলাই সনদের নির্দেশনামতো ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করতে হবে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্বাচন পরবর্তী দলীয় পর্যালোচনা সভায় চরমোনাই পীর এই মন্তব্য করেন। দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই কথা জানানো হয়েছে।
চরমোনাই পীর বলেন, ‘নির্বাচনে অনেক আসনে নানারকম অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এজেন্ট বের করে দেয়া হয়েছে, শিটে কাটাকাটি, অকারণে ভোট বাতিলসহ অনেক রকম অভিযোগ উঠেছে। এই সকল অভিযোগকে আমলে নিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র বের করতে হবে এবং কোথাও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সেই আসনের নির্বাচন নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম; শায়েখে চরমোনাই, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব মাওলানা সৈয়দ এসহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের, মাওলানা আহমদ আব্দুল কাউয়ুম, কে এম আতিকুর রহমান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জনাব গোলাম মসিহ, বরগুনা-১ এর এমপি মাওলানা অলিউল্লাহ মাহমুদসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।