
টেকনাফ উপজেলা প্রতিনিধি।
কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের ১১ দলীয় সমর্থিত ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, সন্ত্রাস দুর্নীতি চাঁদাবাজমুক্ত ন্যায় ইনসাফ ও সুখিসমৃদ্ধ উখিয়া-টেকনাফ গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন। এবার কোন ভয়ভীতি ও ষড়যন্ত্র দাঁড়িপাল্লার বিজয়কে ঠেকাতে পারবেনা। সীমান্ত জনপদের মানুষ সবাই এখন সচেতন। তাদেরকে আর বোকা বানানো যাবেনা।
তিনি বলেন, বছরের পর বছর একটি পরিবার ক্ষমতা ভোগ করবে আর সাধারণ মানুষ শোষিত হবে সেটা আর এই আসনের মানুষ দেখতে চাই না। আপনারা আমাকে এবার সংসদে পাঠান আমি উন্নয়নে ভরে দেব পুরো উখিয়া-টেকনাফ।
এখানকার নাফ নদী, স্থলবন্দর, নাফ ট্যুরিজম, এনজিওতে স্থানীয়দের চাকরী নিশ্চিত করা, দমদমিয়া টু সেন্টমার্টিন ঘাট, পানখালী থেকে বাহারছড়ার পাহাড়ী সড়ক সংযোগ, হ্নীলা-হোয়াইক্যংয়ে ফায়ার সার্ভিস স্থাপন, ১০০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণ, হ্নীলা পুরাতন বাজার মিনি বন্দর সচল করা, হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠকে মিনি স্টেডিয়ামে রুপান্তর, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী বন্ধ, শাহপরীরদ্বীপ করিডোর চালু, মেরিন ড্রাইভ সড়ক আধুনিকায়ন, অপহরণ ও ইয়াবামুক্ত এলাকা উপহার দেয়া হবে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারী) বিকালে হ্নীলা স্টেশনে ইউনিয়নের নির্বাচনী পথসভায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। এতে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, পাড়া-মহল্লা থেকে মিছিলে মিছিলে মানুষের ঢল নামে।
অধ্যক্ষ আনোয়ারী আরো বলেন, আপনাদের যে কোন সমস্যার জন্য আমার পেছনে পেছনে ঘুরতে হবে না। আল্লাহ যদি আমাকে সুযোগ দেন, আমি সকল দলের মানুষকে সাথে নিয়ে নিজেই ঘুরে ঘুরে দেখবো ও কোথায় কি কি প্রয়োজন সেই কাজ বাস্তবায়ন করে একটি মডেল আসন হিসেবে উখিয়া-টেকনাফকে গড়ে তুলবো।
টেকনাফ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা রফিকুল্লাহর সভাপতিত্বে হ্নীলা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা গিয়াস উদ্দিন নিজামীর পরিচালনায় পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারী, উখিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এডভোকেট একেএম শাহজালাল চৌধুরী, উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম. গফুর উদ্দিন চৌধুরী।
বক্তব্য রাখেন, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী জাহিদুল ইসলাম, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নুরুল হোছাইন ছিদ্দিকী, অফিস সম্পাদক এডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান, টেকনাফ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা ফোরকান আহমদ, সহকারী সেক্রেটারী সরওয়ার কামাল সিকদার,
এনসিপি কক্সবাজার জেলা শাখার সদস্য সচিব অধ্যাপক ওমর ফারুক, শিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি শফিউল আলম খোন্দকার, আব্দুর রহিম নূরী, টেকনাফ পৌরসভার সাবেক ভারপ্রাপ্ত (মেয়র) মোহাম্মদ ইসমাঈল, এনসিপির টেকনাফ উপজেলার প্রধান সমন্বয়ক সায়েম সিকদার, খেলাফত মজলিসের টেকনাফ উপজেলা সেক্রেটারী মাওলানা আনোয়ার হোসাইন, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মেম্বার কবির আহমদ, হোয়াইক্যং ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা ইব্রাহিম খলিল, টেকনাফ উপজেলা শিবিরের সভাপতি হাফেজ মোহাম্মদ তারেক, সমাজসেবক এডভোকেট মীর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, এডভোকেট ছৈয়দুল ইসলাম সাঈদ, এডভোকেট হাফেজ আব্দুর রহিম, জামায়াত নেতা মাওলানা বদিউল আলম, এনসিপি নেতা আল ফাহাদ বাবু, খেলাফত মজলিস নেতা মাওলানা মোহাম্মদ হোসাইন, জিয়াউল হোছাইন কায়সার, আব্দুল মাবুদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কামাল আহমদ, কামাল হোসাইন, মাওলানা নুরুল বশর ছিদ্দিকী, অধ্যাপক নুরুল আমিন, সাইফুল ইসলামসহ নেতৃবৃন্দ।