শেখ আহমদ মিরাজ স্পোর্টস সম্পাদক।
জুনে শুরু হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপের অন্যতম সহ-আয়োজক দেশে মেক্সিকো। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হলে, স্বাগতিক দেশটি গ্রুপ ‘এ’ থেকে সহজেই নকআউট পর্বে উত্তীর্ণ হওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হয়েই মাঠে নামবে।
এবার মেক্সিকোর সঙ্গে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়ার বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা। এর আগে ১৯৭০ এবং ১৯৮৬ সালে নিজেদের মাটিতে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের দুইবার কোয়ার্টার-ফাইনালের দেখা পেয়েছিল মেক্সিকো। চলতি বিশ্বকাপে ১১ই জুন এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করবে।
এরপর প্রথম রাউন্ডের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে দক্ষিণ কোরিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্রের মুখোমুখি হবে। ১৯৯৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সাতটি বিশ্বকাপে ধারাবাহিকভাবে শেষ ষোলোতে পৌঁছানোর রেকর্ড থাকায়, এবারও দেশটি গ্রুপ ‘এ’ থেকে তাদের যোগ্যতা অর্জন করবে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।
যদিও ২০২২ সালের টুর্নামেন্টটি সেই ধারার ব্যতিক্রম ছিল। কাতারে অনুষ্ঠিত ওই বিশ্বকাপে মেক্সিকো প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নেয়। তবে সাম্প্রতিক ফলাফলগুলো তাদের ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
মেক্সিকোর অভিজ্ঞ কোচ হাভিয়ের আগুইরে ২০০২ এবং ২০১০ বিশ্বকাপে মেক্সিকোকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তিনি ২০২৪ সালে তৃতীয়বারের মতো দায়িত্বে ফিরেছেন এবং গত বছরের কনকাকাফ নেশনস লিগ ও কনকাকাফ গোল্ড কাপে 'এল ট্রি'-কে বিজয়ী করেছেন। অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার রাউল হিমেনেজ আক্রমণে নির্ভরযোগ্য গোল করার ধার যোগান দেন, অন্যদিকে ১৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার গিলবার্তো মোরাও টুর্নামেন্টের অন্যতম প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড় হিসেবে আবির্ভূত হতে পারেন।
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ বাকী উল্লাহ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত