
কক্স২৪নিউজ ডেস্ক।
জেনজি ও তরুণদের প্রত্যাশার এবং নারী সমাজের জন্য নিরাপদ ও সম্মানের একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য দাঁড়িপাল্লা ও ১১ দলীয় জোট প্রার্থীদের মার্কায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গতকাল সোমবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এই আহ্বান জানান। সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে এই ভাষণ প্রচারিত হয়।
১৮ মিনিটের বক্তব্যে জামায়াত আমির বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, জনগণ পরিবর্তন চায়, সেই পরিবর্তনের জন্যই আমাদের এই আহ্বান। তিনি বলেন, আমরা আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারে বলেছি, আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ তৈরির জন্য পাঁচটি বিষয়ে ‘হ্যাঁ’ এবং পাঁচটি বিষয়ে ‘না’ বলতে হবে। সততা, ঐক্য, ইনসাফ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানকে আমরা ‘হ্যাঁ’ বলতে বলেছি। কারণ এসব মৌলিক শর্ত ছাড়া বৈষম্যহীন, উন্নত, নৈতিক মানসম্পন্ন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। পাশাপাশি দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ, বেকারত্ব ও চাঁদাবাজিকে স্পষ্ট না করতে বলেছি। দেশবাসীকে উদ্দেশ্য করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আজ আমি আপনাদের সামনে এসেছি কোনো গতানুগতিক রাজনৈতিক ভাষণ দিতে নয়। আমি একেবারে মনের ভেতরের কিছু কথা ভাগাভাগি করতে চাই, যে কথাগুলো একজন জেনজি, একজন যুবক, আমাদের প্রজন্ম সবার সঙ্গে সম্পৃক্ত। কথাগুলো একজন মুসলমানের জন্য যেমন, তেমনি আমাদের দেশের অন্য ধর্মের ভাই-বোনদের জন্যও।
জামায়াত আমির তার বক্তব্যে জুলাই শহীদদের মাগফিরাত কামনা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। এছাড়া জুলাই সংগ্রামে আহতদের দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতা কামনা করেন।
তিনি বলেন, জুলাই হয়েছিল কারণ সবাই রাস্তায় নেমেছিলেন। দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাও সে সময়ে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছেন। আমরা জুলাই আর চাই না; আমরা চাই এমন বাংলাদেশ, যেখানে আর কোনো দিন জনগণকে রাস্তায় নামতে হবে না।
তিনি বলেন, জুলাই হয়েছিল একটা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের জন্য, একটা কালো রাজনৈতিক ধারার পরিবর্তনের জন্য। যুগের পর যুগ ক্ষমতা কুক্ষিগত ছিল পরিবারতন্ত্রের হাতে, নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে, সেখান থেকে মুক্তির জন্য। বিশেষ করে, ২০০৯ সাল থেকে জাতির ওপর এমন এক শাসকগোষ্ঠী চেপে বসে যারা মানবাধিকার, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়াসহ সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে ফেলে। গুম, বিচার-বহির্ভূত হত্যা, আয়নাঘর প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের ওপর নিপীড়ন চালায়। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪-এর পরপর তিনটি সংসদ নির্বাচন নামের তামাশার মাধ্যমে আমাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা হয়। এসব নিপীড়ন ও অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্যই এসেছিল রক্তাক্ত জুলাই। আমাদের তরুণরা এখন একটা নতুন দেশ দেখতে চায়, যে দেশকে তারা গর্ব করে বলতে পারবে ‘নতুন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ২.০’।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। কিন্তু একটি মহল পরিবর্তনের বিরোধী। কারণ পরিবর্তন হলেই তাদের অপকর্মের পথ বন্ধ হবে, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এই সংস্কৃতি বদলানোর সাহস সবার থাকে না। ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর হিম্মত সবার থাকে না। এই হিম্মত দেখিয়েছে আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওসমান হাদী ও তাদের সহযোদ্ধারা। তাদের রক্তের শপথ নিয়ে নতুন প্রজন্মের লাখ লাখ সাহসী সন্তান আজ এই পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত।
জামায়াত আমির বলেন, এই দেশ আমাদের সময়ের এই সাহসী সন্তানদের হাতেই তুলে দিতে হবে। কারণ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এই তরুণরা রচনা করবে। এই তরুণরা পরিশ্রমী, সাহসী, মেধাবী। তারা পরিবর্তনকে ভালোবাসে, নতুনকে আলিঙ্গন করে, সত্য বলতে দ্বিধা করে না। এই তরুণরা প্রযুক্তি বোঝে এবং সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে জানে। তারাই পারবে নতুন বাংলাদেশ গড়ে দিতে।
তরুণদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, আমরা তোমাদের হাত ধরতে চাই। জুলাইয়ের মতো—কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার কাজে সঙ্গী হতে চাই। প্রচলিত ধারা বদলাতে চাই। দেশটা বিভেদ ও বিভাজনের রাজনীতি থেকে মুক্ত করতে চাই। মানুষের জীবনে শান্তি ফিরুক। এই আমাদের চাওয়া। সবাইকে নিয়ে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে চাই। এমন বাংলাদেশ যেখানে কেবল পারিবারিক পরিচয়ে কেউ দেশের চালকের আসনে বসতে পারবে না। এমন বাংলাদেশ যেখানে রাষ্ট্র হবে সবার, সরকার হবে জনগণের।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ চায় একটু নিরাপত্তা, সুশাসন আর ইনসাফ । তাই আগামীর বাংলাদেশকে এসব অঙ্গীকার ও মূল্যবোধের আলোকে সাজাতে চাই। রাষ্ট্রের মৌলিক কিছু সংস্কারের লক্ষ্যে জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সরকার কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল, কিন্তু তা সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয়নি। এই বাস্তবায়ন সম্ভব হবে, আগামীতে যে গণভোট, সেই গণভোটে আমরা যদি আমাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে হ্যাঁ বলি, তাহলে সংস্কার প্রক্রিয়া তার পূর্ণতা পাবে ইনশাআল্লাহ। আমরা এজন্যই জনগণকে বলব, গণভোটে হ্যাঁ বলুন এবং সংস্কারকে আলিঙ্গন করুন। আমাদের সন্তানদের স্বপ্ন পূরণে আপনিও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হন।
নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার আলোকে আমাদের পরিকল্পনা, কর্মসূচি ও অঙ্গীকার আপনাদের কাছে স্পষ্ট করার চেষ্টা করেছি। দেশে আমরাই প্রথম পলিসি সামিটের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি-কৌশল জনগণের সামনে তুলে ধরেছি। আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারে এর প্রতিফলন রয়েছে। আমরা সরকার গঠন করলে প্রথম দিনে ফজর নামাজ পড়েই আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন শুরু করব ইনশাল্লাহ।
জামায়াত আমির বলেন, আমাদের শাসক শ্রেণি সরকারি পদে নির্বাচিত হওয়ার পর নিজেদের দেশের মালিক গণ্য করেছে। ফলে রাষ্ট্রীয় সম্পদ, পদ-পদবী-নীতি-প্রতিষ্ঠান, সবকিছু ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থ হাসিলের উপায় হিসেবে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করেছে। চুরি, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে জনগণের সম্পদ লুণ্ঠন করেছে। উন্নয়ন প্রকল্প ব্যক্তিগত ও দলীয় লুণ্ঠনের সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এই ব্যবস্থার অবসান ঘটানোই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
তিনি বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচন জাতিকে একটি নতুন স্বপ্নের দিকে নিয়ে যাওয়ার এক মহাসুযোগ হিসেবে এসেছে। যেসব সমস্যা আমরা বিগত দিনে সমাধান করতে পারিনি, যে লুটেরা গোষ্ঠীকে আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনিÑসেসব সমস্যার সমাধান ও লুটেরা গোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণের সুযোগ হচ্ছে আগামী নির্বাচন। তাই জনগণকে ঠিক করতে হবে আমরা আমাদের নিজেদের জন্য, তরুণদের, নারীদের, বয়স্ক মানুষের, প্রান্তিক জনপদের, শ্রমিকের, উদ্যোক্তাদের জন্য কোন বাংলাদেশ চাই।
আমরা যদি ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে চাই, তাহলে আগামী নির্বাচন নিয়ে নৈতিকভাবে ভাবতে হবে। রাজনৈতিক কথার ফুলঝুরির বাইরে এসে বাস্তবতার আলোকে সৎ, দক্ষ ও নিষ্ঠাবান নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
তিনি বলেন, আমাদের জনসংখ্যাকে জনশক্তি হিসেবে রূপান্তর করতে হলে নীতি ও নৈতিকতাভিত্তিক রাজনীতির বিকল্প নেই। সমাজে নীতিনৈতিকতা-শৃঙ্খলা-জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া কোনো জাতি এগোতে পারেনি; আমাদের পক্ষেও সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, যে সমাজ নারীর মর্যাদা রক্ষা করতে পারে না, সেই সমাজ কখনো সমৃদ্ধ হতে পারে না। আমরা ক্ষমতায় এলে নারীরা কেবল ঘরের ভেতরে নয়, সমাজের মূলধারার নেতৃত্বে থাকবেন সগৌরবে। আমরা এমন এক দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, যেখানে কোনো মা-বোনকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হবে না। তাই আপনাদের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গী হোন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা মনে করি সমাজে ন্যায়বিচার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হলে সবাইকে মর্যাদা দিতে হবে এবং সবার মানবাধিকার সুরক্ষা করতে হবে। আমরা অঙ্গীকার ব্যক্ত করছি, একটি মানবিক ও উন্নত দেশ গড়ার জন্য দল-মত নির্বিশেষে সবার মান-ইজ্জত-অধিকারের সুরক্ষা দেব ইনশাল্লাহ। এই বাংলাদেশ মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবার। কেউ ভয়ের সংস্কৃতির মধ্যে বাস করবেন না।
তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়তে হলে তিনটি জায়গায় বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। একটি হচ্ছে শিক্ষার সংস্কার। শিক্ষা হতে হবে নৈতিকতাভিত্তিক এবং সেটা হতে হবে টেক বেস্ট। আমরা কোনো বেকার ভাতা তাদের তুলে দিতে চাই না। দ্বিতীয় জায়গাটা হচ্ছে বিচারাঙ্গন। ন্যায়বিচার সমাজে প্রতিষ্ঠা হলেই কেবল আমরা প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়তে পারব। অন্যথায় দুঃশাসন-দুর্নীতির কণ্ঠ রোধ করা মোটেই সম্ভব হবে না। তৃতীয় জায়গাটা হচ্ছে আমাদের অর্থনীতি। এই ভঙ্গুর অর্থনীতি নিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সুতরাং অর্থনীতিতে ব্যাপক সংস্কার সাধন করতে হবে। আমরা আশা করব দেশবাসী তাদের মূল্যবান ভোটের আমানত দিয়ে দেশকে প্রত্যাশার লক্ষ্যে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতা করবেন।
আলেমদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, একাধিক ধর্মের এ দেশে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। তাই মুসলমান হিসেবে এটি আমাদের দায়িত্ব যে, সমাজে ন্যায়বিচার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা। এগুলো ইসলামের শাশ্বত আদর্শ। সব মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য।
জামায়াত আমির বলেন, আন্তর্জাতিক মহল যারা আমাদের পরীক্ষিত ও পরিচিত বন্ধু, তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক হবে সমমর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে। আমরা অন্যের ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করি; তেমনি সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দিই। তবে আমাদের জাতীয় স্বার্থ-মর্যাদা, জাতীয় উন্নয়ন, অগ্রাধিকার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিনির্মাণে প্রধান ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, বৈশ্বিক উন্নয়ন চ্যালেঞ্জগুলো, বিশেষত জলবায়ু পরিবর্তন-নিরসনে আমরা সাধ্যমতো ব্যবস্থা নেব এবং তা হবে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে পরিচালিত। নিপীড়নের শিকার হয়ে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে তাদের নিজ দেশে নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য সব ধরনের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হবে।
প্রবাসীদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, আমরা চাই প্রবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা রাষ্ট্রীয়ভাবে নিশ্চিত করতে। সে লক্ষ্যেই তাদের জন্য ‘ভলান্টিয়ার’ প্রতিনিধি নির্বাচন করা হবে—যারা প্রবাসীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা, সেবা ও সমস্যার বিষয়ে দূতাবাস বা হাইকমিশনের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় করে তাদের স্বার্থে উপদেষ্টা ও প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবে। তাছাড়াও বাংলাদেশের বাইরে যেখানে যেখানে সমস্যা রয়েছে, যেমনÑইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার ফ্লাইট বন্ধ করে রাখা হয়েছে। আমরা কথা দিচ্ছি, আর কোনো ফ্লাইট বন্ধ হবে না; বরঞ্চ পূর্বের চালু ফ্লাইটগুলো আমরা আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসব।
তিনি বলেন, কেউ বিদেশে ইন্তেকাল করলে আমরা অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে তাদের লাশ কাঁধে বয়ে আনব ইনশাল্লাহ। আমরা সংসদে আনুপাতিক হারে প্রবাসীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার পক্ষে।
নির্বাচনি প্রচারে সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তার জন্য ক্ষমা চান জামায়াত আমির। তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।
দেশবাসীকে উদ্দেশ করে তিনি আরো বলেন, আমরা আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হচ্ছে আমানত। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব কোনো উপভোগের বিষয় নয়। সর্বাবস্থায় আমরা স্মরণে রাখব আমরা প্রত্যেকে দায়িত্বশীল এবং আমাদের দায়িত্বের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আশা করি আপনারা আমাদের অঙ্গীকার ও স্বপ্নকে বিশ্বাস করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের প্রতি সমর্থন দেবেন।
জামায়াত আমির বলেন, আমরা আমাদের তরুণদের সমাজের ককপিটে বসিয়ে দিতে চাই। বাংলাদেশ নামের উড়োজাহাজটি তারাই চালাবে। তারাই হবে ক্যাপ্টেন, পাইলট। আমরা গিয়ে বসব প্যাসেঞ্জার সিটে। হে তরুণরা, তোমরা তৈরি হয়ে যাও। এ দেশ তোমাদের জন্য, এ দেশ তোমাদের হাতেই তুলে দিতে চাই। কোনো বাধাই আমাদের ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না ইনশাল্লাহ ।
Aussie punters can play thepokie net around the clock, with hundreds of pokies from leading software providers.
Try this — https://tower.bet/game/royale-house for real money casino play